বলিউডে পড়ল দুঃখের পাহাড় এখন আর নেই এই কিংবদন্তি চোখের জল ফেলছে গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি

18th November 2023 5:25 pm Country News
বলিউডে পড়ল দুঃখের পাহাড় এখন আর নেই এই কিংবদন্তি চোখের জল ফেলছে গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি


৭৪ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বলিউড পরিচালক তথা যশ রাজ ফিল্মসের প্রতিষ্ঠাতা যশ চোপড়ার স্ত্রী পামেলা চোপড়া। শেষ হওয়ার খবর অনুযায়ী বৃহস্পতিবার মুম্বাইতে প্রয়াত হয়েছেন পামেলা দেবী। লীলাবতী হাসপাতালে মোটামুটি ১৫ দিন পর্যন্ত ভেন্টিলেশনে ছিলেন তিনি। তার স্বামী যশ চোপড়ার সঙ্গে তিনি বহু কাজ করেছেন এবং সেই সমস্ত কাজের জন্য সারা ভারতে তিনি পেয়েছেন খ্যাতি।দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া এ আক্রান্ত ছিলেন বলে জানতে পারা যাচ্ছে। যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে তিনি লেখক কস্টিউম ডিজাইনের এবং গায়িকা হিসেবে বহু সিনেমাতে কাজ করেছেন।শাহরুখ খান থেকে শুরু করে আমির খান এবং সালমান খান সবাই তার এই মৃত্যুতে গভীর শোকাহত। শাহরুখ খানের জীবনের সবথেকে বড় সিনেমা দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ছবিতে ঘর আজা পরদেশী গানে গলা দিয়েছেন পামেলা। এর পাশাপাশি চাঁদনী সিনেমার একটি গান গেয়েছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে যশ চোপড়ার কভি কভি ছবিটির গল্প লিখেছিলেন তিনি। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও তার ছিল আত্মিক যোগাযোগ। ১৯৮১ সালে অমিতাভ বচ্চনের জীবনের সবথেকে বিতর্কিত সিনেমা সিলসিলা ছবিতে তিনি কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছিলেন। এই ছবির জন্য তিনি বলিউডের সেরা ফ্যাশন ডিজাইনের সম্মান পেয়েছিলেন। হলে বলতে গেলে যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারের অন্যতম ভিত্তি ছিলেন পামেলা চোপড়া।তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত সারা বলিউড। বলিউডে যেন একেবারে দুঃখের বাঁধ ভেঙ্গে গিয়েছে। তার দুই পুত্র আদিত্য চোপড়া এবং অভিনেতা উদয় চোপড়া গভীরভাবে শোকাহত বলে জানা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার যশ রাজ ফিল্মসের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টার দিয়ে তার প্রয়াণ বার্তা জানানো হয়েছে। তার শেষকৃত্যে শামিল হয়েছিল পুরো বলিউড। উপস্থিত ছিলেন সালমান খান, শাহরুখ খান, ক্যাটরিনা কাইফ, ভিকি কৌশল, অমিতাভ বচ্চন এবং রেখা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।