বছরের শুরুর দিনেই ছক্কা হাঁকাতে চলেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। আগামী ১ জানুয়ারি তারা একটি স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের উৎক্ষেপণ করতে চলেছে। মহাকাশ গবেষণার দুনিয়ায় যা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
পৃথিবীর মাটি ছেড়ে ৫০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার উঁচুতে উঠবে এক্সপোস্যাট। তার পর নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে। পৃথিবী থেকে বেশি দূরে না গেলেও এক্সপোস্যাট-এর ‘হাত’ কিন্তু অনেক লম্বা। মহাকাশের দূরের বস্তু নিয়ে কাজ করবে সে।
মহাকাশের মোট ৫০টি উজ্জ্বলতম শক্তির উৎসকে পর্যবেক্ষণ করবে ইসরোর এক্সপোস্যাট। তার মধ্যে ব্ল্যাক হোল থেকে শুরু করে নিউট্রন স্টার, রয়েছে অনেক কিছুই। মহাকাশে অন্তত পাঁচ বছরের আয়ু নিয়ে যাচ্ছে এই কৃত্রিম উপগ্রহ।
২০২১ সালে নাসা যে কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে, তার নাম ইমেজিং এক্স-রে পোলরিমেট্রি এক্সপ্লোরার (আইএক্সপিই)। ভারতে এমন প্রচেষ্টা এই প্রথম।
এক্স-রে উৎসের মেরুকরণ পর্যবেক্ষণ করবে এক্সপোস্যাট। এর মধ্যে রয়েছে দু’টি পেলোড— পোলিক্স (পোলারিমিটার ইনস্ট্রুমেন্ট ইন এক্স-রে) এবং এক্সস্পেক্ট (এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি অ্যান্ড টাইমিং)। রমন রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার যৌথ ভাবে এই পেলোড তৈরি করেছে। মহাজাগতিক বস্তু পদার্থবিদ্যায় এই যন্ত্রগুলি নতুন দিশা দেখাতে চলেছে বলে বিশ্বাস বিজ্ঞানীমহলের।