স্টিমার নেই বলে বাড়িতে মোমো বানাতে পারেন না? মুশকিল আসান হবে ঘরোয়া উপায় জানলেই

4th January 2024 9:03 am Country News
স্টিমার নেই বলে বাড়িতে মোমো বানাতে পারেন না? মুশকিল আসান হবে ঘরোয়া উপায় জানলেই


মোমো দেখলেই নিজেকে সামলাতে পারেন না এমন বাঙালির সংখ্যা নেহাত কম নয়। রাস্তার ধারে ছোট ঠেলায় হোক কিংবা বড় রেস্তরাঁয়, মেনুতে মেমো দেখতে পেলেই হল! বছর দশেক আগেও কলকাতায় মোমোর এত বাড়বাড়ন্ত ছিল না। তবে আজকের ছবিটা একেবারেই ভিন্ন। বিকেলের টিফিন হোক কিংবা অফিসে কাজের ফাঁকে টুকটাকি স্ন্যাক্সের খোঁজ, মোমো থাকে বহু মানুষেরই পছন্দের তালিকার প্রথম সারিতেই!

শীতের মরসুমে বাড়িতে যদি মোমো বানিয়ে রাখা যায়, তা হলে মন্দ হয় না। বাড়িতে অতিথি এলে কিংবা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে পার্টির আয়োজন করলে ফ্রিজারে রাখা মোমোগুলি সেদ্ধ করে নিলেই কেল্লাফতে। তবে বাড়িতে তো স্টিমার নেই! স্টিমার ছাড়া কী ভাবে হবে মোমো, তাই ভাবছেন তো? আলবাত হবে! স্টিমার ছাড়াই কী ভাবে ভাপিয়ে নেবেন মোমো, রইল হদিস।

 

কুকারেই বানিয়ে ফেলুন মোমো

প্রেশার কুকারে একটি উঁচু বাটি উলটো করে বসিয়ে দিন। এ বার কুকারে দু’ থেকে তিন কাপ জল দিন। বাটির উপর একটি প্লেট বসিয়ে মোমোগুলি সাজিয়ে দিন। জল যেন প্লেটের স্তরের নীচে থাকে, সে দিকে নজর রাখতে হবে। কুকারের হুইস্‌ল খুলে ঢাকনা বন্ধ করে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু মোমো!

কড়াইতে বানিয়ে ফেলুন মোমো

 

কড়াইতে খানিকটা জল নিয়ে স্টিলের স্ট্যান্ড বসিয়ে দিন। স্ট্যান্ডের উপর বাটি বসিয়ে তার উপরে একটি প্লেট বসান। মোমোগুলি প্লেটের উপর সাজিয়ে দিন। একটি বড় থালা দিয়ে কড়াইটি ঢেকে দিন। তার উপর ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। মিনিট কুড়ি ভাপিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মোমো।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।