মুখের অবাঞ্ছিত লোম নিয়ে চিন্তিত? এই সহজ উপায়েই করুন দূর

16th January 2024 8:44 pm Country News
মুখের অবাঞ্ছিত লোম নিয়ে চিন্তিত? এই সহজ উপায়েই করুন দূর


অধিকাংশ মহিলাই মুখের অতিরিক্ত লোম তুলতে পার্লারে যান। অনেকে বাড়িতেই বিভিন্ন ফেশিয়াল কিট ব্যবহার করেন। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না মুখের লোম তেলার আগে কিছু টেকনিক আছে। সেইগুলি মেনে না চললে ক্ষতি হতে পারে আপনার ত্বকের। মুখের ত্বক শরীরের সবথেকে সূক্ষ্ম জায়গা গুলির মধ্যে একটি। অতয়েব তাকে রক্ষা করার দায়িত্বও অনেক বেশি।মুখের লোম তুলতে গিয়ে কমবেশি সবাই কোন না কোন ভুল করে বসেন। সেই ভুল যাতে পরবর্তীকালে আপনার রূপের ক্ষতি না করে সেই টিপস নিয়েই হাজির কলকাতা ২৪x৭।

বিভিন্ন ধরণের পদ্ধতিতেই আজকাল সবাই লোম তোলেন। প্রতিটি পদ্ধতির জন্যই রয়েছে টিপস

১) লেজর হেয়ার রিমুভাল

লেজার ট্রিটমেন্টে যে রেজাল্ট পাওয়া যায় তা দীর্ঘস্থায়ী। ভবিষ্যতে লোমের গ্রোথটাকেও অনেকটা কম করে দেয়। মোটা লোম না ওঠার কারণও হল এই লেজার রিমভাল। তার ওপর এই হেয়ার রিমভালে ত্বকে কোনও ব্যাথা হয় না। তবে কোনও নামী দামী জায়গা থেকে এই লেজার রিমভাল না করালে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে আপনার ত্বকের। মুখের ব্যাপারে যেহেতু সবাই একটু বেশিই সচেতন হয়ে থাকে তাই এক্সপার্টের গাইডেন্স ছাড়া এই হেয়ার রিমভাল পদ্ধতিতে না যাওয়াই ভাল। কারণ এই পদ্ধতি যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ। যাতে পরবর্তীকালে আপনাকে পচতাতে না হয় তার জন্য ত্বকের ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করেই এই পদ্ধতিতে যাওয়া সঠিক।

২) শেভিং

হেয়ার রিমভালের ক্ষেত্রে শেভিংয়ের থেকে চটজলদি পদ্ধতি আর কোথাও নেই। তবে এই পদ্ধতির কিছু নেগেটিভ দিক ও রয়েছে। যেমন তাড়াহুড়োতে শেভ করতে গিয়ে কেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। শেভিংয়ের পরই সঙ্গে সঙ্গে লোম উঠে যাওয়ারও একটা ব্যাপার রয়েছে। এই পদ্ধতি দীর্ঘস্থায়ী একেবারেই নয়। কয়েকদিনের মধ্যে আবার শেভ করতে হয়। তবে সঠিক টেকনিকে রেজর ব্যবহার করলে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। রেজর দিয়ে শেভ করার পর কোনও ভাল লোশন ব্যবহার করুন, তাতে আপনার ত্বকও পুড়ে যাবে না এবং নরম থাকবে।

৩) থ্রেডিং

মুখের লোম তোলার দিক থেকে থ্রেডিংটাই অধিকাংশ মহিলারা পছন্দ করেন। তবে বেশ দামী পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটিও লংলাস্টিং নয়। একবার করাবার দু'দিনের মধ্যে আবার করতে হয়। তবে এক একজন মহিলার এক একরকমের ত্বক হওয়ার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।