বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গিয়েছে? বছরখানেক আগে থেকেই শুরু হোক ত্বকের পরিচর্যা

22nd January 2024 7:07 pm Country News
বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গিয়েছে? বছরখানেক আগে থেকেই শুরু হোক ত্বকের পরিচর্যা


বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরের দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি পর্ব। কত যে কাজ থাকে! মাসের পর মাস চলে যায়, তবু সব যেন হয়ে ওঠে না। আর এ সবের মধ্যেই কনেরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি ভুলে যান। তা হল নিজের যত্ন নেওয়া। নিজের বিয়ের দিনে সুন্দর দেখাবে, তা কে না চায়! কিন্তু তার জন্য তো এক দিন সাজলেই হবে না। সে প্রস্তুতিও নিতে হবে কয়েক মাস ধরে। বিয়ের আগের দিন একটা ফেশিয়াল করে নিলেই জেল্লা চলে আসবে মুখে এই ধারণা ভুল। বিশেষ দিনটিতে যাতে আপনার দিক থেকে কেউ চোখ ফেরাতে না পারে, তার জন্য মাস কয়েক আগে থেকেই নিতে হবে প্রস্তুতি। কী ভাবে নেবেন সেই প্রস্তুতি?

১) এক এক জনের ত্বক এক এক রকম। সমস্যাও আলাদা। সমস্যা জানলে তবেই তো প্রতিকার সম্ভব। বিয়ের অন্তত ন’মাস থেকে এক বছর আগে এক জন ত্বক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনিই বলে দিতে পারবেন আপনার সমস্যাটা ঠিক কী আর কোন কারণে সমস্যা হচ্ছে।

 

২) শুধু মুখ সুন্দর হলেই তো হল না। বিয়ের আগে হাত-পা, ঘাড়, গলা সবেতেই নজর দিতে হবে। অনেকেরই শরীরের বিভিন্ন অংশে কালচে ছোপ পড়ে যায়। এ সমস্যা দূর করতেও আগে থেকে উদ্যোগী হোন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জেনে নিন কোন প্রসাধনীতে ভাল কাজ হবে। এ ছাড়াও নিয়মিত বাড়িতে তৈরি কিছু ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

৩) ঘুম কম হলে চলবে না। রোজ রাতে নিয়ম করে ৮ ঘণ্টা ঘুমোলে চেহারা সুন্দর থাকবে।

 

৪) নজর দিতে হবে খাওয়াদাওয়ায়। এই ক’টি মাস যা ইচ্ছা তাই খেলে মোটেও চলবে না। মিষ্টি-ভাজাভুজি একেবারেই বাদ। আর খেতে হবে অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল।

 

৫) নিয়ম করে রোজ মিনিট কুড়ি ধ্যান করুন। মন শান্ত হবে। তাতে জেল্লা আরও বাড়বে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।