‘বিগ বস্’-এর ঘরে আয়ের নিরিখে অঙ্কিতার তুলনায় কতটা এগিয়ে প্রিয়ঙ্কার বোন মন্নরা?

27th January 2024 12:24 pm Country News
‘বিগ বস্’-এর ঘরে আয়ের নিরিখে অঙ্কিতার তুলনায় কতটা এগিয়ে প্রিয়ঙ্কার বোন মন্নরা?


‘বিগ বস্’-এর ঘরে ১০০ দিনের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন মন্নরা চোপড়া। এই সিজ়নের বিগ বস্-এর ঘরের প্রথম বাসিন্দা হয়ে ঢোকেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার এই তুতো বোন। সম্পর্কে প্রিয়ঙ্কা মন্নরার মামার মেয়ে। পরিণীতি চোপড়াও সেই দিক থেকে আত্মীয় হন মন্নরার। দুই দিদি বলিউডের পরিচিত মুখ হলেও মন্নরা এখনও জায়গা করে উঠতে পারেননি বলিপাড়ায়। নিজের ব্যক্তিত্বের কারণেই এত দিন ধরে রিয়্যালিটি শোয়ের খেলায় এগিয়ে থেকেছেন তিনি। আর বাকি মাত্র এক দিন। তার পরই ফিনালে। সেরা পাঁচে এমনিতেই জায়গা করে নিয়েছেন মন্নরা। এ বার পাখির চোখ ‘বিগ বস্’-এর ট্রফির দিকে। যদিও শোয়ে এক দিকে তাঁর ও কৌতুকাভিনেতা মুনাওয়ার ফারুকির বন্ধুত্ব নিয়ে চর্চা হয়েছে, তেমনই অঙ্কিতা লোখান্ডের সঙ্গে তাঁর মতান্তরের সাক্ষী থেকেছেন দর্শকেরা। বার বার মন্নরাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন অঙ্কিতা। কটু কথা বলতেও ছাড়েননি। তবে ‘বিগ বস্’-এর ঘরের পারিশ্রমিকের নিরিখে অঙ্কিতা-মুনাওয়ারকে ছাপিয়ে গিয়েছেন মন্নরা।

টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ অঙ্কিতা। অন্য দিকে, কম যান না মুনাওয়ারও। নেটপ্রভাবী তকমা ছাড়াও কৌতুকশিল্পী হিসাবে দেশ জুড়ে খ্যাতি রয়েছে তাঁর। এ ছাড়াও বলিউডের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে মুনাওয়ারের। অঙ্কিতা বার বার দাবি করেছেন, টিভি নাকি তাঁর ‘বাপের বাড়ি’। টিভির জন্য আজ এমন খ্যাতি পেয়েছেন তিনি। অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি মন্নরার থেকে এগিয়ে, পরিচিতির ব্যাপারেও। তবে, বিগ বস্-এর ঘরে এত দিন কাটিয়ে মন্নরা পারিশ্রমিক পেয়েছেন প্রায় ২.২ কোটি। যা বিগ বস্-এর পুরস্কারমূল্য ৫০ লাখকে ছাপিয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। সেই তুলনায় অঙ্কিতা এত দিন পার করে পেয়েছেন ১.৮ কোটি। অন্য দিকে এত খ্যাতি সত্ত্বেও মুনাওয়ার পেয়েছেন ১.২ কোটি টাকা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।