গালভর্তি গর্ত নিয়ে চিন্তিত? কোন কোন অভ্যাসে বদল আনলে পাবেন মসৃণ ত্বক

23rd February 2024 10:33 am Country News
গালভর্তি গর্ত নিয়ে চিন্তিত? কোন কোন অভ্যাসে বদল আনলে পাবেন মসৃণ ত্বক


মেকআপ শুরুর প্রথমেই রূপটানশিল্পীরা মুখে প্রাইমার ব্যবহার করেন। এই প্রসাধনী অমসৃণ ত্বককে মসৃণ করে তুলতে সাহায্য করে। বিশেষ কোনও একটি দিন মেকআপ দিয়ে মুখের এই রন্ধ্রগুলি ঢেকে ফেলাই যায়, তবে রোজ রোজ তো আর মেকআপ দিয়ে ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলি ঢাকা সম্ভব নয়। ত্বকের পেশি ক্রমাগত সঙ্কুচিত, প্রসারিত হওয়ার ফলে ছিদ্রগুলি আকারে বড় হয়ে যায়। কপাল, নাক ও গালে এগুলি বড় হয়ে গর্তের মতো দেখতে লাগে। ত্বক শিথিল ও বয়স্ক দেখায়। ত্বকের ছিদ্র বড় হলে তাতে তেল আর ধুলোময়লা জমে। তখন ব্রণ, র‌্যাশের সমস্যাও বাড়ে। এই সমস্যা দূর করতে ত্বকের চাই বিশেষ যত্ন। জেনে নিন উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা এড়াতে কী ভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন।

১) যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, রাতে বাড়ি ফিরে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করতে হবে। মুখ পরিষ্কার করার সময় মাইল্ড কোনও এক্সফোলিয়েটর বা স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। মুখে তেল, ধুলো-ময়লা জমলে ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেখান থেকে মুখে ব্রণ হয়। উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

 

২) সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মির হাত থেকে ত্বকের এই রন্ধ্রগুলিকে রক্ষা করতে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহারে এই রন্ধ্রগুলি ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

৩) ত্বকের পেশি ক্রমাগত সঙ্কোচন এবং প্রসারণের ফলে উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলিতে তার প্রভাব পড়ে। ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ভাল না হলে রন্ধ্রগুলি বড় হয়ে যায় নিজে থেকেই। এই সমস্যা দূর করতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। ত্বকে জল ধরে রাখতে পারে এমন প্রসাধনী মাখতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।