কোমর পিঠের ব্যথার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পান এই ৩টি সহজ পদ্ধতিতে

13th March 2024 4:02 pm Country News
কোমর পিঠের ব্যথার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পান এই ৩টি সহজ পদ্ধতিতে


জকাল খুব কম বয়সে অনেকেই পিঠ ও কোমরের ব্যথায় ভুগে থাকেন। এর মূল কারণ হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা। বিশেষ করে যারা কর্মজীবী তারা এই ধরনের সমস্যায় বেশি ভুগেন। এই ব্যথা খুবই যন্ত্রণাদায়ক।যার ফলস্বরূপ পিঠ ও কোমরে ব্যথাভাব হয়।অন্যদিকে, করোনাভাইরাসের কারণে এখনো অনেক অফিস চলছে বাসায় বসে কাজ করে। অফিসে সঠিক সেটআপের চেয়ার-টেবিল ছেড়ে বাসায় আরামদায়ক অবস্থায় বেকায়দায় বসে, আধ-বসা হয়ে কিংবা আধ-শোয়া হয়ে ল্যাপটপে কাজ করার ফল একদিনে বোঝা না গেলেও নির্দিষ্ট একটি সময়ের পর ঠিকই জানান দিতে থাকে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধ খেয়ে থাকেন। তবে ওষুধ ছাড়াও এমন তিনটি সহজ ব্যায়ম রয়েছে যা এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে। চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-

পার্শিয়াল স্টমাক ক্রাঞ্চেস

অন্যতম ক্লাসিক শক্তি প্রদানকারী এবং ব্যথা নিরাময়কারী একটি ওয়ার্কআউট বলা হয় এই ক্রাঞ্চেসকে। পার্শিয়াল স্টমাক ক্রাঞ্চেস একই সঙ্গে পিঠে ব্যথাভাব এবং পেটের মেদ কমাতে কাজ করে।

এর জন্য মেঝেতে সোজা হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে নিতে হবে। দুই হাত মাথার পেছনে রেখে ধীরে কাঁধ উঁচু করে তুলতে হবে মেঝে থেকে। এই অবস্থায় কিছুক্ষণ থেকে শ্বাস ছেড়ে কাঁধ নামিয়ে নিতে হবে মেঝেতে। একই নিয়ম ৮-১২ বার পুনরাবৃত্তি করতে হবে।

ওয়াল সিটস

পিঠ ও কোমরের ব্যথা কমাতে ওয়াল সিটস খুবই দারুণ একটি ওয়ার্কআউট। কোন চেয়ার কিংবা টুলে বসা নয়, দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসার ভঙ্গি করাকে বলা হচ্ছে ওয়াল সিটস। এর জন্য দেয়াল বরাবরা পিঠ ঠেকিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে।

এবারে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে রাখা অবস্থাতেই বসার মত ভঙ্গি করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, দেয়ালের সাথে পিঠ ঠেকিয়ে রাখতে হবে, পিঠ সরানো যাবে না। এভাবে ১০ সেকেন্ড থেকে পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে রাখা অবস্থায়। এরপর আবার বসার ভঙ্গি করতে হবে। এভাবে ১০-১২ বার পুনরাবৃত্তি করতে হবে।

প্রেস-আপ ব্যাক এক্সটেনশন

এই এক্সারসাইজটি প্রায় সব বয়সীদের জন্যেই সহজ হয় বলে বেশ জনপ্রিয়। এর জন্য মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পরতে হবে এবং দুই কনুইয়ের সাহায্যে ধীরে ধীরে কাঁধ উপরের দিকে ওঠাতে হবে। এতে করে শরীরের উপরের অংশ উপরের দিকে থাকলেও পেট থেকে নিচের অংশ মেঝেতে লেগে থাকবে।এ অবস্থায় যতটা সম্ভব শরীরকে বাঁকাতে হবে উপরের অংশে। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।