উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ঘরোয়া একটি প্যাক মাখেন উরফি, জানেন, তা কী কী দিয়ে তৈরি?

12th April 2024 8:34 pm Country News
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ঘরোয়া একটি প্যাক মাখেন উরফি, জানেন, তা কী কী দিয়ে তৈরি?


অভিনেত্রী, মডেল তো বটেই পোশাকশিল্পী হিসেবেও উরফি জাভেদের নাম রয়েছে। ব্যবহার করা, ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র দিয়ে অভিনব পোশাক তৈরি করার পরিকল্পনায় সিদ্ধহস্ত তিনি। কখনও গেরস্তালির ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে বানিয়ে ফেলেন পোশাক। কখনও আবার তাঁর অঙ্গ জুড়ে থাকে শুধু রুপোলি তবক। বিতর্ক যতই হোক, উরফির অনুরাগীর সংখ্যা কমেনি। তবে, অনুরাগীরা শুধু যে তাঁর পোশাকের কদর করেন, তা নয়। উরফির উজ্জ্বল ত্বকও যথেষ্ট আদৃত। অনেকেই মনে করেন, এই জেল্লার কৃতিত্ব মেকআপ প্রসাধনী এবং আলোর। তা পুরোটা অসত্য নয়। তবে, উরফির ত্বকের জেল্লাও সাধারণ মানুষের চোখে অধরা থাকে না।

শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজের ত্বকের যত্ন নেন তিনি। সালোঁ নয়, ঘরোয়া তিনটি উপাদানেই উরফির ত্বক হয়ে ওঠে জেল্লাদার। সে কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন সমাজমাধ্যমে। শুধু তাই নয়, ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে এই উপকরণ। তার জন্য কী কী লাগবে? চিয়া বীজ, দুধ এবং অ্যালো ভেরা জেল।

 

কী ভাবে তৈরি করবেন?

উরফি জানিয়েছেন, সমস্ত উপকরণ মিক্সিতে নিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। সেই মিশ্রণ মুখে মেখে রাখতে হবে মিনিট ১৫-২০। তার পর ধুয়ে ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে ফেললেই হবে। উরফি জানিয়েছেন, ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরিয়ে আনতে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন এই মাস্ক ব্যবহার করা যেতেই পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।