মিষ্টি খেতে ভালবাসেন করিনা! কোন মিষ্টি খেয়েও এমন ছিপছিপে চেহারা ধরে রেখেছেন নায়িকা?

15th April 2024 8:53 pm Country News
মিষ্টি খেতে ভালবাসেন করিনা! কোন মিষ্টি খেয়েও এমন ছিপছিপে চেহারা ধরে রেখেছেন নায়িকা?


দুই ছেলের মা তিনি। শুটিং, সংসার আর সন্তান সামলেও ছিপছিপে চেহারা ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী করিনা কপূর খান। নায়িকারা ডায়েট করবেন, সেটা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। কড়া ডায়েট করেন করিনা নিজেও। সেই সঙ্গে কঠোর শরীরচর্চা। করিনার যোগাসনে কম উৎসাহ নেই। মন দিয়ে করেন। তবে ডায়েট আর শরীরচর্চার পাশাপাশি মিষ্টি খেতেও প্রচণ্ড ভালবাসেন তিনি। অনেকেই অবশ্য শুনলে অবাক হবেন। কিন্তু করিনার মিষ্টির প্রতি একটা ভালবাসা রয়েছে। ইচ্ছে হলেই সব সময় খেয়ে নেন এমন নয়। কিন্তু মিষ্টির প্রতি একটা টান রয়েছে অভিনেত্রীর।

পছন্দের হলেও বাড়িতে বাড়িতে তৈরি মিষ্টির তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। দোকান থেকে কেনা কোনও খাবারই তিনি খেতে চান না। করিনার সবচেয়ে পছন্দের মিষ্টি হল ওট্‌সের লাড্ডু। মনখারাপ হলে ওট্‌সের লাড্ডু নাকি খান তিনি। চাইলে আপনিও বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন। কী ভাবে বানাবেন? রইল প্রণালী।

১ কাপ ওট্স

 

আধ কাপ তিসির বীজ গুঁড়ো

 

৩ চামচ মধু

 

আধ কাপ খেজুর বাটা

 

৪ চামচ কাজুবাদাম গুঁড়ো

 

৩ চামচ পিনাট বাটার

 

প্রণালী:

 

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ভাল করে। এ বার হাতের তালুতে সামান্য ঘি নিয়ে ছোট ছোট গোলা বানিয়ে লাড্ডুর মতো পাকিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে ওট্‌সের লাড্ডু।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।