মির্জা মুক্তি পেতেই সিনেমা হলে অনুরাগীদের সামনে মালাবদল করে নিলেন অঙ্কুশ- ঐন্দ্রিলা

17th April 2024 9:39 pm Country News
মির্জা মুক্তি পেতেই সিনেমা হলে অনুরাগীদের সামনে মালাবদল করে নিলেন অঙ্কুশ- ঐন্দ্রিলা


কথা ছিল ইদে মুক্তি পাবে 'মির্জা'। সেই মতোই গত à§§à§§ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার এই ছবি। এখানে আরও একবার 'মির্জা-মুসকান' নামে জুটি হিসাবে ধরা দিয়েছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। সিনেমার দুনিয়ায় বারবার জুটি বাঁধলেও বাস্তবে কবে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন এই জুটি? অনুরাগীদের মনে এই প্রশ্ন বহুদিনের।দীর্ঘ ১৪ বছর একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। বারবার তাঁদের বিয়ের কথা উঠলেও বিয়েটা ঠিক কবে হবে, সে উত্তর এখনও অধরা। এদিকে বাস্তবে তাঁদের বিয়ের পিঁড়িতে দেখার স্বপ্ন এখনও পূরণ না হলেও সিনেমাহলের সামনে তাঁদের গলায় মালা পরিয়ে তবেই ছাড়লেন অনুরাগীরা। এ অনুরাগীকে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার গলায় একই ধরনের রজনীগন্ধা-গোলাপের মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়।এদিন 'মির্জা' মুক্তি পেতেই সিনেমাহলের সামনে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলাকে ঘিরে অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকলের সঙ্গে মিলে জমিয়ে নাচতে দেখা গেল টলি পাড়ার এই লাভবার্ডকেও। টলি অনলাইনের ক্যামেরায় উঠে এসেছে এই ভিডিয়ো…।এদিকে বক্স অফিসে 'মির্জা'র ব্যবসা নিয়ে সম্প্রতি Hindustan Time Bangla- মুখ খুলেছেন অঙ্কুশ হাজরা। তাঁর প্রযোজিত এই ছবি ঘিরে চারিদিকে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে, এবিষয়ে অঙ্কুশ বলেন, 'সত্যি খুব ভালো লাগছে। এই ধরনের কমার্শিয়াল ছবি এলে তবেই সেই পুরনো যুগ ফিরবে। মির্জা একটা সেনসিবল বাণিজ্যিক ছবি। তবে প্রযোজক হিসাবে দুঃখের জায়গা একটাই! গ্রাম ও শহরতলির সিঙ্গলস্ক্রিনগুলোকে অনেক উন্নত হতে হবে। ওই জায়গাগুলোতে অনেক বছর ধরে বাংলা বাণিজ্যিক ছবি থেকে মানুষ সরে এসেছে। মানুষকে ফেরাতে গেলে মির্জার মতো ছবি আরও তৈরি হতে হবে'।অঙ্কুশ আরও বলেন, 'বাকি সবাইকে ভালো বাণিজ্যিক ছবি নিয়ে আসতে হবে। ২০১৪-à§§à§« সালেও ৭০০-৮০০ সিটের সিঙ্গল স্ক্রিন ভরে যেত ছবির প্রথম দিনেই। কিন্তু সেই মানসিকতাতেও জং ধরেছে, আর হলে গিয়ে ছবি দেখার অভ্যাসেও জং ধরেছে। সেখানে আমাদের লড়াইটা লড়তে হবে।'এদিন আফসোসের সুরে অঙ্কুশ বলেন, 'বাংলা ইন্ডাস্ট্রি যে শোচনীয় জায়গায় আছে, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে দরকার কমার্শিয়াল বাংলা ছবি। কারণ এরপর আর বর্ধমান, বীরভূম, কালনা, রসুলপুর, শ্যাওড়াফুলিতে আর বাংলা ছবি চলবে না, আমরা বাংলা নয় শুধু কলকাতা ইন্ডাস্ট্রি হয়ে যাব'।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।