ভার্জিন মোহিতো খাওয়ার জন্য রেস্তরাঁয় যাওয়ার দরকার নেই, গরমে বাড়িতেই বানিয়ে নিন

19th April 2024 8:45 pm Country News
ভার্জিন মোহিতো খাওয়ার জন্য রেস্তরাঁয় যাওয়ার দরকার নেই, গরমে বাড়িতেই বানিয়ে নিন


বৈশাখের গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। তবে তাই বলে বাড়িতে বন্ধুদের আনাগোনা বন্ধ নেই। বাঙালি হুল্লোড়প্রিয়। কোনও বাধা মানে না। শীতে কাঁপতে কাঁপতে কিংবা গরমে ঘামতে ঘামতে হলেও আনন্দ করতে ভোলে না। তবে এই গরমে বাড়িতে অতিথি এলে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপের বদলে ঠান্ডা পানীয়ের গ্লাসে চুমুক দিলে বেশি খুশি হবেন। ফ্রিজ়ের ঠান্ডা জলে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে শরবত করে দেওয়ার বদলে বানাতে পারেন ভার্জিন মোহিতো। রইল প্রণালী।

উপকরণ:

 

২৫০ মিলিগ্রাম সোডা ওয়াটার

৪ টুকরো পাতিলেবু

 

আধ কাপ টাটকা পুদিনা পাতা

 

আধ চামচ বিটনুন

 

২ চা চামচ চিনি গুঁড়ো

প্রণালী:

 

প্রথমে একটি গ্লাসে চিনির গুঁড়ো, বিটনুন, পুদিনা পাতা আর লেবুর রস একসঙ্গে থেঁতো করে নিন।

 

এর পরে গ্লাসের মধ্যে পরিমাণ মতো বরফ আর সোডা মিশিয়ে নিয়ে চামচ দিয়ে গুলিয়ে নিন।

 

এ বার গ্লাসের উপর থেকে গোল করে কাটা লেবুর টুকরো আর কিছুটা পুদিনা পাতা সাজিয়ে পরিবেশন করুন ভার্জিন মোহিতো।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।