ডিম্বাশয় বাদ পড়েছে ক্যানসারে তবু মা হতে চান কী করতে চলেছেন মনীষা কৈরালা?

13th May 2024 9:22 pm Country News
ডিম্বাশয় বাদ পড়েছে ক্যানসারে তবু মা হতে চান কী করতে চলেছেন মনীষা কৈরালা?


২০১২ সালে জরায়ুর ক্যানসারে আক্রান্ত হন মনীষা। নিউ ইয়র্কে তাঁর চিকিৎসা হয়। ক্যানসারের জন্য এখন আগের মতো গতিতে কাজ করতে পারেন না তিনি। মানসিক ভাবেও মাঝেমাঝে অস্বস্তি হয়। যদিও অভিনয় জগত থেকে একটা লম্বা সময় দূরে থাকার পর সম্প্রতি প্রত্যার্বতন হয়েছে তাঁর, সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর 'হীরামন্ডি' সিরিজ়ের মাধ্যমে।তবে জীবনে এক অপূর্ণতা রয়ে গিয়েছে তাঁর। মা ডাক শোনা হয়নি এখনও! ক্যানসারের কারণে বাদ পড়েছে তাঁর ডিম্বাশয়, তাই মা হওয়া হয়নি অভিনেত্রীর। কিন্তু এখন অনেকটা সুস্থ, এ বার 'মা' হওয়া নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে মনীষা বলেন,''আমি মেনে নিয়েছি আমার জীবনে অপ্রাপ্তি রয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায়, এমন অনেক স্বপ্ন থাকে, যা আপনি পূরণ করতে পারবেন না। তখন তার সঙ্গে সমঝোতা করে নিতে হয়। মাতৃত্ব তার মধ্যে অন্যতম। ডিম্বাশয়ের ক্যানসার হওয়া এবং মা হতে না পারাকে মেনে নেওয়া আমার পক্ষে কঠিন ছিল। কিন্তু এখন আমি নিজেকে বুঝিয়ে নিয়েছি।'' এই মুহূর্তে নায়িকারা জৈবিক পদ্ধতি ছাড়াই মাতৃত্বের স্বাদ পাচ্ছেন। কেউ দত্তক নিচ্ছেন, কেউ সাহায্য নিচ্ছেন সারোগেসির। তবে কি তেমনই কোনও পরিকল্পনা রয়েছে মনীষার? জবাবে তিনি বলেন, ''দত্তক নেওয়ার কথা ভেবেছি অনেক বার। পরে আমার মনে হয়েছে, অল্পেই আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। কোনও কঠিন পরিস্থিতি এলে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠি। আমার মনে হয়, একজন মায়ের এই অস্থিরতা থাকলে চলে না। বরং এটা মেনে নেওয়াই ভাল, আমার যা আছে, তা নিয়েই চলতে হবে। আমার বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন, যাঁদের আমি ভালবাসি। আমি তাঁদের চোখের মণি, তাঁদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু। তাই আজকাল প্রায়ই নিজের বেড়ে ওঠার ভূমি কাঠমান্‌ডুতে ফিরে যাই এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাই।''





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।