প্রস্রাবের পরও ফোঁটা ফোঁটা মূত্রপাত হয়? উপেক্ষা করলেই বিপদ -

27th May 2024 10:13 am Country News
প্রস্রাবের পরও ফোঁটা ফোঁটা মূত্রপাত হয়? উপেক্ষা করলেই বিপদ -


অনেক সময় দেখা যায় প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার পরেও কয়েক বিন্দু মুত্রত্যাগ হতেই থাকে। এই সমস্যাটি বহু মানুষেরই হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা বলছেন, বয়স ও স্বাস্থ্য নির্বিশেষে বহু পুরুষেরই এই সমস্যা দেখা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে টার্মিনাল ড্রিপিং।তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও।কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

মূল প্রস্রাবের পর অনিয়ন্ত্রিত ভাবে আবার কিছুটা প্রস্রাব বেরিয়ে আসা টার্মিনাল ড্রিপিং-এর তুলনায় আলাদা। একে বলে পোস্ট মিকচুরিশন ড্রিবলিং বা পিএমডি। মূত্রথলি থেকে শিশ্নমুখ পর্যন্ত যে নালি থাকে তাকে ইউরেথ্রা বলে।

এই রোগে সেই ইউরেথ্রার মধ্যে কিছু পরিমাণ মূত্র জমা হয়ে থাকে। প্রস্রাবের শেষে সেই মূত্রই বের হয়ে আসে ও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যা কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রস্টেট ও স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। সেই কারণেই সমস্যা দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।