ইলেকট্রিক বাইক কিনবেন? চলে এল নতুন মডেল GT Texa ফুল চার্জে যাবে 130 কিমি

5th July 2024 7:01 pm Country News
ইলেকট্রিক বাইক কিনবেন? চলে এল নতুন মডেল GT Texa ফুল চার্জে যাবে 130 কিমি


GT Force ভারতে নতুন ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল লঞ্চ করল। নাম GT Texa। এটি ফুল চার্জে ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার ছুটতে পারবে। ই-বাইকটির টপ স্পিড ৮০ কিলোমিটার।GT Texa নামে একটি নতুন ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল চলে এল ভারতের বাজারে। জিটি ফোর্স (GT Force) নামক এক ভারতীয় ইলেকট্রিক স্টার্টআপ বাইকটি লঞ্চ করেছে।দাম ১.১৯ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম) রাখা হয়েছে। সংস্থার দাবি, আরবান রাইডারদের জন্য আদর্শ এই বৈদ্যুতিক বাইকে রয়েছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি এবং হাই-পারফরম্যান্স। জিটি ফোর্সের বাকি মডেল যেমন GT Vegas, GT Ryd Plus, GT One Plus Pro ও GT Drive Pro-এর সাথে নতুন GT Texa সংস্থার শোরুমে পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজারে বিকল্পের শেষ নেই। সে জায়গায় ব্যাটারি চালিত মোটরসাইকেলের সম্ভার হাতে গুণে বলা যায়। তবে ইদানিং বেশ কিছু কোম্পানি উক্ত সেগমেন্টে নিজেদের নতুন মডেল লঞ্চ করে চলেছে। তাই আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ইলেকট্রিক বাইক ও স্কুটারের পাল্লা সমান সমান হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

GT Texa ইলেকট্রিক বাইকের স্পেসিফিকেশন ও ফিচার্স

GT Texa-তে রয়েছে ৩.৫ কিলোওয়াট আওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। যা সম্পূর্ণ চার্জে ১২০-১৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ প্রদান করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কোম্পানি। এতে উপস্থিত একটি বিএলডিসি মোটরকে কর্মক্ষম করতে ব্যাটারি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এটি প্রতি ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিবেগ তুলতে সহায়তা করবে। অটোকাট প্রযুক্তি যুক্ত একটি মাইক্রো চার্জার দ্বারা ব্যাটারি ৪-৫ ঘন্টায় সম্পূর্ণ চার্জ করা যাবে।জিটি টেক্সার সর্বোচ্চ ভারোত্তোলন ক্ষমতা ১৮০ কেজি। ছোট কমিউটার বাইকের মতো ছিমছাম ডিজাইন এতে। জীবাশ্ম জ্বালানি চালিত বাইকে ট্যাঙ্কের নিচে যেখানে ইঞ্জিন থাকে, সে জায়গায় এতে রয়েছে ব্যাটারি প্যাক। মডেলটি উজ্জ্বল লাল ও নিকষ কালো রঙের বিকল্পে বেছে নেওয়া যাবে। অ্যালয় হুইলের সাথে সামনে ৮০-১০০/১৮ ও পেছনে ১২০-৮০/১৭ সেকশন টায়ার বর্তমান।ব্রেকিংয়ের দায়িত্ব পালন করতে দু'চাকায় রয়েছে ডিস্ক ব্রেক। আবার দেওয়া হয়েছে একটি E-ABS কন্ট্রোলার। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।