স্কেন্দ্রের জিএসটি প্রস্তাবে রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা কর্ণাটকের

3rd September 2025 8:52 pm Country News
স্কেন্দ্রের জিএসটি প্রস্তাবে রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা কর্ণাটকের


কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত জিএসটি স্ল্যাব পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্ণাটক সরকার। কেন্দ্র চায় বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবার উপর আরোপিত করের স্তরকে সরলীকরণ করতে। তবে কর্ণাটকের দাবি, এই পরিবর্তন কার্যকর হলে রাজ্যের রাজস্ব আয়ে বড়সড় ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

রাজ্য সরকারের একাধিক আধিকারিক জানিয়েছেন, বর্তমানে কর্ণাটক শিল্পোন্নত রাজ্য হওয়ায় জিএসটি সংগ্রহে সারা দেশে শীর্ষে রয়েছে। কিন্তু স্ল্যাব কমানো বা একীকরণের ফলে কর আদায়ের পরিমাণ হ্রাস পাবে। এতে রাজ্যের আর্থিক পরিকল্পনায় চাপ পড়বে।

অন্যদিকে, কর্ণাটকের আশঙ্কা আরও এই যে, উচ্চ করের স্তর একত্রিত হলে সাধারণ ভোক্তা ও শিল্প দুই-ই প্রভাবিত হবে। বিশেষত, পরিষেবা খাতে বাড়তি কর চাপ পড়তে পারে, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের খরচের উপর প্রভাব ফেলবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, কেন্দ্রের প্রস্তাব রাজস্ব ভাগাভাগির ক্ষেত্রে কিছু রাজ্যকে সুবিধা দিলেও কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলো আর্থিক ভারসাম্যে সমস্যায় পড়তে পারে। সেই কারণেই কর্ণাটক চাইছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্যগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হোক।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।