‘এক রাতেই সব পালটে গেল…’, ইজরায়েলের বিভীষিকাময় দিনের কথা নুসরতের মুখে

11th October 2023 2:53 pm Country News
‘এক রাতেই সব পালটে গেল…’, ইজরায়েলের বিভীষিকাময় দিনের কথা নুসরতের মুখে


হাইফা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন নুসরত। সেখানে তাঁর ‘আকেলি’ ছবির স্ক্রিনিং ছিল। সঙ্গে দুই ইজরায়েলি সহ-অভিনেতা সাহি হালেভি ও আমির বুর্ত্রোসও ছিলেন। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) পর্যন্ত বেশ ভাল সময় কাটে নুসরতের। ইজরায়েলের একাধিক ঐতিহাসিক জায়গা (জেরুজালেম, জাফা, ডেড সি) দেখেন অভিনেত্রী। মঞ্চে বিদেশি সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে গানও গেয়েছেন।

 

তার পর দুই সহ-অভিনেতাকে বিদায় জানিয়ে। আবারও তাঁদের সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দিয়ে হোটেলে ফেরেন নুসরত। পরের দিনই তাঁর ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে অভিনেত্রীর ঘুম ভাঙে বোমা-গুলি আর সাইরেনের শব্দে। গোটা হোটেলে তখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি। ভয়ে চারদিকে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়।

 

  কোনও মতে হোটেলের বেসমেন্টে জায়গা হয় নুসরতের। তার পর অপেক্ষার পালা। অভিনেত্রীর মনে হচ্ছিল যেন এই অপেক্ষা আর শেষ হবে না। কিন্তু তা শেষ হয়। মুম্বইয়ে ফেরেন অভিনেত্রী। তারপর বাড়ি থেকে ভিডিও শেয়ার করে জানান, ভারতবর্ষের মতো শান্তিপূর্ণ দেশে থাকতে পারার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। এর জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ভারতীয় দূতাবাস ও ইজরায়েলের দূতাবাসকেও ধন্যবাদ জানান। সবশেষে শান্তির কামনা করেন নুসরত।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।