হাইফা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন নুসরত। সেখানে তাঁর ‘আকেলি’ ছবির স্ক্রিনিং ছিল। সঙ্গে দুই ইজরায়েলি সহ-অভিনেতা সাহি হালেভি ও আমির বুর্ত্রোসও ছিলেন। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) পর্যন্ত বেশ ভাল সময় কাটে নুসরতের। ইজরায়েলের একাধিক ঐতিহাসিক জায়গা (জেরুজালেম, জাফা, ডেড সি) দেখেন অভিনেত্রী। মঞ্চে বিদেশি সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে গানও গেয়েছেন।
তার পর দুই সহ-অভিনেতাকে বিদায় জানিয়ে। আবারও তাঁদের সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দিয়ে হোটেলে ফেরেন নুসরত। পরের দিনই তাঁর ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে অভিনেত্রীর ঘুম ভাঙে বোমা-গুলি আর সাইরেনের শব্দে। গোটা হোটেলে তখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি। ভয়ে চারদিকে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়।
কোনও মতে হোটেলের বেসমেন্টে জায়গা হয় নুসরতের। তার পর অপেক্ষার পালা। অভিনেত্রীর মনে হচ্ছিল যেন এই অপেক্ষা আর শেষ হবে না। কিন্তু তা শেষ হয়। মুম্বইয়ে ফেরেন অভিনেত্রী। তারপর বাড়ি থেকে ভিডিও শেয়ার করে জানান, ভারতবর্ষের মতো শান্তিপূর্ণ দেশে থাকতে পারার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। এর জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ভারতীয় দূতাবাস ও ইজরায়েলের দূতাবাসকেও ধন্যবাদ জানান। সবশেষে শান্তির কামনা করেন নুসরত।