আজ থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে যান চলাচল বন্ধ, কোন পথে আসবেন শহরে জেনে নিন

1st November 2023 11:09 am Country News
 আজ থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে যান চলাচল বন্ধ, কোন পথে আসবেন শহরে জেনে নিন


শহরে ঢোকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ দ্বিতীয় হুগলি সেতু। সেই সেতুতেই আজ থেকে শুরু হচ্ছে যান নিয়ন্ত্রণ। এদিকে উত্‍সবের রেশ কাটিয়ে চলতি সপ্তাহেই কাজে ফিরেছে শহর। সকাল থেকেই অফিসে যাওয়ার তাড়া। দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে যান নিয়ন্ত্রণ থাকলে কোন পথে শহরে ঢুকবেন নিত্য যাত্রীরাসংস্কারের কারণে আগামী ৮ মাস যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর ।আজ রাত বারোটার পর থেকেই সেই কাজ শুরু করা হবে । যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণের গোটা বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখবে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ । তাদের নির্দেশ অনুসারে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে হাওড়া সিটি পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ।রক্ষণাবেক্ষনের কাজের এই দীর্ঘ সময়ে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হাওড়া সিটি পুলিশের কাছে ।এদিকে আজ থেকেই শহরে শুরু হয়ে যাচ্ছে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি। দুপুর থেকে শহরের একাধিক জায়গায় মিটিং মিছিল রয়েছে। দুপুর ২টো নাগাদ একটি মিছিল রয়েছে যেটি লেনিন সরণী থেকে আমেরিকান সেন্টারের দিকে যাবে। তার জেরে দুপুর যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে।আবার বিকেল ৩টে নাগাদ শহরে আরেকটি মিছিল রয়েছে। সেটি শহরের প্রাণকেন্দ্র শিয়ালদহে। কাজেই ফিরতি পথে সমস্যায় পড়তে পারেন নিত্য যাত্রীরা। তাই আগে থেকে হাতে সময় নিয়ে বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।