বিদ্যুত্‍-হীন শান্তিনিকেতনে ফের পৌষমেলার ডাক হাতে সময় কম তবু চেষ্টায় আয়োজকরা

29th November 2023 8:41 am Country News
 বিদ্যুত্‍-হীন শান্তিনিকেতনে ফের পৌষমেলার ডাক হাতে সময় কম তবু চেষ্টায় আয়োজকরা


করোনার সময় প্রথমবার বন্ধ হয়েছিল শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। বিদ্যুত্‍ চক্রবর্তী উপাচার্য থাকাকালীন পরপর তিন বছর বিশ্বভারতীর তরফে এই মেলা নিয়ে আগ্রহের অভাব ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তিন বছর পর আবারও গুরুদেবের শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার সম্ভাবনা। পৌষমেলা করতে আগ্রহী বিশ্বভারতী বলেই জানালেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার।মঙ্গলবার বিশ্বভারতীতে মেলা নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়।সেখান থেকে বেরিয়ে অনিল কোনার জানান, বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মেলা করতে আগ্রহী। তাই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। তবে হাতে সময় খুবই কম থাকায় মেলার বুকিংয়ের জন্য অনলাইনে ভরসা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের। তবে এখানেও একটা খিঁচ হয়ে রয়েছে। বুকিংয়ের যে সফটওয়্যার, তা নতুন করে ডেভেলপ করতে হবে। খড়গপুর আইআইটি তা করবে। তারা কতদিনে তা করে দিতে পারবে তার উপরই সবটা নির্ভর করবে।অনিল কোনার বলেন, “আজ উপাচার্য ট্রাস্টিকে ডেকেছিলেন। আমরা ছিলাম। আমরা আলোচনা করলাম বিস্তারিতভাবে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মেলা করতে চায়। ট্রাস্টি তো চায়ই। এই ট্রাস্টির প্রধান কাজই হল মেলা করা। তবে সময়টা খুবই কম। এই সময়ের মধ্যে আমাদের প্রধান প্রতিবন্ধকতা সফটওয়্যার। ২০১৯ সালে খড়্গপুর আইআইটি যে সফটওয়ার তৈরি করে দিয়েছিল তার মেয়াদ তিন বছর ছিল। সেটা নতুন করে করতে অনুরোধ জানাতে হবে। উপাচার্য আজই চিঠি লিখবেন এ নিয়ে। কারণ এখন অনলাইন বুকিং হয়। এই অল্প সময়ে এসে ম্যানুয়ালি বুকিং সম্ভব নয়। আর আমরা তা তুলেও দিয়েছি। আগেরবার আইআইটি ১০ দিন সময় নিয়েছিল। এবার কী করবে দেখা যাক।”





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।