শীতের মিঠে রোদ গায়ে মাখছেন, কিন্তু তাতে যে ত্বক ঝলসে যেতে পারে তা জানেন কি?

4th December 2023 12:24 am Country News
শীতের মিঠে রোদ গায়ে মাখছেন, কিন্তু তাতে যে ত্বক ঝলসে যেতে পারে তা জানেন কি?


ঠান্ডার আমেজ তেমন পড়েনি। কিন্তু রোদের তেজ হালকা হতে শুরু করেছে। যতটা যত্ন নিয়ে গরমকালে মুখে সানস্ক্রিন মাখার প্রয়োজন বোধ করতেন, ততটা এখন করছেন না। তাই বলে এটা ভেবে নেওয়া কোনও কারণ নেই যে, অতিবেগনি রশ্মির প্রভাবও ম্লান হয়ে গিয়েছে। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি বাড়ির মধ্যে থাকলেও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ত্বকের চিকিৎসকেরা বলেন, অল্প বয়সে বলিরেখা পড়া, কালচে দাগ, ছোপ পড়ার অন্যতম কারণ হল এই রোদ। ত্বকের এই ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচতে তাই সানস্ক্রিন মাখা আবশ্যক।

আর কী কী কারণে মাখতে হবে সানস্ক্রিন?

 

১) সানস্ক্রিন শুধু যে সানবার্ন বা রোদে পোড়ার হাত থেকে সুরক্ষা দেয়, তা নয়। অল্প বয়সে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও রুখে দিতে পারে এই সানস্ক্রিন।

২) বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেঘের আড়াল থেকেও সূর্য ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। শুধু তাই নয়, বরফে ঢাকা পাহাড়ে ঘুরতে গেলেও সঙ্গে সানস্ক্রিন রাখতে হবে।

 

৩) সানস্ক্রিন মাখলে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজ়ার মাখার প্রয়োজন পড়ে না। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে এই ক্রিম।

৪) শীতে সানস্ক্রিন না মাখলে ত্বকে ক্যানসার হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। কারণ, এই সময়ে ও‌জ়ন স্তরের ঘনত্ব পাতলা হতে থাকে। তাই সেই স্তর ভেদ করে সহজেই সূর্যরশ্মি গায়ে এসে পড়ে।

 

৫) বাড়ির বাইরে না বেরোলেও দিনের বেশির ভাগ সময়ে হেঁশেলে থাকতে হয়? আগুনের গরম তাপ থেকেও ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সেই ক্ষতি থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।